নোটিশ :
জরুরী ভিত্তিতে সারাদেশে বিভাগীয় ব্যুরো প্রধান, জেলা, উপজেলা, বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজ পর্যায়ে সাংবাদিক নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহী প্রার্থীগণকে সিভি, জাতীয় পরিচয়পত্রের স্কান কপি ও সদ্য তোলা পাসপোর্ট সাইজের ছবির সাথে নিজের লেখা একটি সংবাদ ই-মেইলে পাঠাতে হবে। ই-মেইল :sidneynews24@gmail.com
শিরোনাম :
Antivirus For Business Selecting the Best Electronic Data Place Software বোরহানউদ্দিনে অবৈধ ট্রাক্টর কেড়ে নিলো আরমানের জীবন বোরহানউদ্দিনে জেলেদের মাঝে সুরক্ষা সামগ্রী বিতরণ বোরহানউদ্দিনে জমি দখল করতে সরকারি বরাদ্ধে নির্মিত বাজার ও মসজিদের টয়লেট ভেঙ্গে নিচ্ছে সাংবাদিকের কলমই পারে অপরাধীকে দাঁত ভাঙ্গা জবাব দিতে… প্রেসক্লাব সভাপতি অনু বোরহানউদ্দিনে শীত বস্ত্র বিতরণ করলেন ব্লাড ডোনার্স ক্লাব বোরহানউদ্দিনে সাংবাদিকের উপর প্রকাশ্য হামলা” ক্যামেরা ভাঙচুর বোরহানউদ্দিনে প্রকাশ্য বসতঘর দখল”তথ্য সংগ্রহ করতে গেলে ভিক্টিমসহ সাংবাদিকদের উপর হামলা প্রথম দিনেই টিকিট বিক্রির মেশিনে ত্রুটি, আটকে গেল টাকা বালিয়াকান্দিতে নারীকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগ কঁচি ইচ্ছের বাগান – সৈয়দ মুন্তাছির রিমন মঙ্গলগ্রহে ৪৬ ফুট উঁচুতে উড়ে রেকর্ড রিজার্ভ থেকে ডলার চায় এফবিসিসিআই টুইটারের সিইওর পদ ছাড়ছেন ইলন মাস্ক ব্যালন ডি’অরে মেসিই ফেভারিট, লেভার স্বীকারোক্তি শ্যুটিং সেটে অভিনেত্রীর ‘আত্মহত্যা’: বিচ্ছেদ, অবসাদ নাকি “লাভ জিহাদের” বলি? আজ থেকে মেট্রোরেলে যাতায়াত করতে পারবেন যাত্রীরা গাইবান্ধা-৫ আসনের উপনির্বাচন স্থগিত চেয়ে রিট অগ্রযাত্রার মুকুটে আরেকটি পালক: প্রধানমন্ত্রী
আশ্চর্য রুমাল” (পর্ব-৩)/সিডনিনিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম

আশ্চর্য রুমাল” (পর্ব-৩)/সিডনিনিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম

“আশ্চর্য রুমাল” (পর্ব-৩)

মুনিরা আক্তার

এই রুমাল টা দেখেই তুমি বুঝতে পারছ যে এটা কতটা পুরনো।তোমার দাদু একদা এক গরীব বৃদ্ধকে ভয়ানক এক নেকড়ে দলের হাত থেকে বাঁচায়।তারপর নিজের ঘরে আশ্রয় দেয়।বৃদ্ধ অনেক ক্ষুধার্ত ছিল,তাই সে তার আহারের ব্যবস্থা করে।বৃদ্ধ অনেক খুশি হয় এবং আমার বাবাকে উপহার হিসেবে এই রুমালটা দেন।আমার বাবা সেটাকে একটা সাধারণ রুমাল মনে করেছিলেন,কিন্তু সেটা একজন বৃদ্ধের আশীর্বাদ হিসেবে নিজের কাছে সযত্নে রাখলেন।পরদিন সকালে সেই বৃদ্ধকে বাবা আর দেখতে পেলেন না।এমন কি ঐ এলাকার লোকদের জিজ্ঞেস করলে তারা কেউ কোনোদিন তাকে দেখেননি বলে উত্তর দিলেন।আমার বাবা খুব বেশি বড়লোক ছিলেন না।তবু তার দিন ভালোই কাটছিল।তবে দেখতে দেখতে বাবা তার ব্যবসায় খুব লাভবান হতে লাগলেন।তার কর্মব্যস্ততা বেড়ে গেল।আগে তিনি গরীব দুঃখীদের সাহায্য করতেন।কিন্তু যত তিনি বড়লোক হতে লাগলেন তত তিনি লোভী হয়ে উঠলেন।আগের চেয়ে আরও সম্পত্তি অর্জন করতে চাইলেন।একদিন এক গরীব বালক তার ঘরে এলো এবং তাকে কিছু সাহায্য করতে বললো।বাবা তাকে পরে আসতে বললেন।কিন্তু সে প্রচন্ড ক্ষুধার্ত ছিল তাই আমার বাবাকে অনুরোধ করলো তাকে কিছু খেতে দেওয়ার জন্য।বাবা ব্যস্ত থাকার কারণে তাকে চলে যেতে বলল। কিন্তু বালক খানিকটা জোরাজুরি করতেই বাবা তাকে ধাক্কা দিল।বালক তাতে খুব কষ্ট পেল এবং চলে গেল। যাওয়ার সময় পেছন ফিরে বলে গেল: যা পেয়েছিলে তার যদি মর্ম বুঝতে পারতে তাহলে আজ এমন পাশবিক আচরণ করতে না।বাবা খুব অবাক হলো আর বলল:এ কথার অর্থ কি?
বালক বলল: তোমাকে যা দেওয়া হয়েছিল তা শুধুমাত্র মানব হিতৈষীদের দেওয়া হয়।এর ফলে তাদের যাবতীয় সম্পদ দিনে দিনে বৃদ্ধি পায়।ইহজগতে তারা অনেক সম্মাননা পায়।তুমি এই শর্তের বাইরে। অর্থাৎ তুমি পরোপকারী নও।তাই তোমার বর্তমান ও পূর্বের যা ছিল তুমি সব হারাবে এবং খুব দ্রুতই সীমাহীন দুর্দশায় পতিত হবে। আশ্চর্যজনকভাবে বাবা সব হারালেন। আমার শৈশব ভয়ানক দারিদ্র্যে কেটেছিল।বাবা মারা যাওয়ার সময় রুমালটা আমার হাতে দিয়ে গেলেন এবং বললেন এটা সাবধানে রাখবে। ঈশ্বর চাইলে তুমি অথবা তোমার বংশের কেউ এর দ্বারা উপকৃত হতে পারে।আমি অনেক চেষ্টা করেও এর দ্বারা কোনো উপকার পাইনি।যদিও আমি কখনো কারো অনিষ্ঠ করিনি তবে আমার বিশ্বাস তুমি এর দ্বারা উপকৃত হবে।
জেনি বলল।আমি তোমার কথা অবিশ্বাস করছিনা।কিন্তু যেখানে তুমিই এর দ্বারা কোনো সুফল পাওনি সেখানে আমি কি করে পাবো?
— ভরসা রাখ।আর সর্বদা মানুষের উপকার করবে। তাতেই হয়তো এর দ্বারাই তুমি তোমার সকল ইচ্ছা পূরণ করতে পারবে।
জেনি তার বাবার কথা বিশ্বাস করল এবং সেই রুমাল নিজের কাছেই রেখে দিল।একদিন জেনি স্কুলে যাওয়ার পথে দেখল, একজন কাঠুরে, ভীষণভাবে আহত।তার পা কেটে রক্ত পড়ছে।জেনি ছুটে গেল।তার স্কার্ফ দিয়ে কাঠুরের পা বেধে দিল। ব্যাগ থেকে পানির বোতল বের করে তাকে পানি পান করালো।কাঠুরে বেশ খুশি হলো, আর তাকে আশীর্বাদ করল।এই ঘটনার পর জেনি স্কুলে যায়,সেদিন স্কুলে একটা লটারি প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছিল।জেনি এসব জিনিস কখনও নিতনা কারণ সে জানে সে কখনই লটারি জিততে পারবেনা।জেনির বন্ধুরা তাকে জোরাজুরি করলে সে বাধ্য হয়েই একটা লটারি নিল।তার একসপ্তাহ পরে জেনির বাড়িতে একজন লোক এলো।তিনি বললেন, জেনি যে লটারি কিনেছিল, তা সে জিতে গেছে এবং প্রথম পুরষ্কার পেয়েছে।সেটা একটা প্যাকেটে মোড়ানো ছিল। লোকটা প্যাকেটটা দিয়েই চলে গেলেন। জেনি প্যাকেটটা খুলে নিজের চোখকে বিশ্বাস করতে পারছিল না।সেই পুরষ্কারটা আর কিছুই না বরং একটা মারমেইড স্কার্ট যা সে তার বাবার কাছে আবদার করেছিল।সে প্রচন্ড খুশি হলো,দৌড়ে বাবার কাছে গিয়ে বাবাকে দেখালো, জোসেফ বললেন, এটা তার পরোপকরীতার পুরস্কার।
(চলবে)

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published.




এটি হাসনা ফাউন্ডেশনের একটি অঙ্গ প্রতিষ্ঠান, এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা,ছবি,অডিও,ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা বেআইনি । copyright© All rights reserved © 2018 sidneynews24.com  
Desing & Developed BY ServerNeed.com