নোটিশ :
জরুরী ভিত্তিতে সারাদেশে বিভাগীয় ব্যুরো প্রধান, জেলা, উপজেলা, বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজ পর্যায়ে সাংবাদিক নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহী প্রার্থীগণকে সিভি, জাতীয় পরিচয়পত্রের স্কান কপি ও সদ্য তোলা পাসপোর্ট সাইজের ছবির সাথে নিজের লেখা একটি সংবাদ ই-মেইলে পাঠাতে হবে। ই-মেইল :sidneynews24@gmail.com
শিরোনাম :
মায়ের পোট্রের্ট – অহনা নাসরিন খেলা – অহনা নাসরিন|| সিডনিনিউজ রাজকন্যা লতিফার অবিলম্বে মুক্তি চায় জাতিসংঘ জাতীয় গণমাধ্যম সপ্তাহকে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির দাবীতে ময়মনসিংহে স্মারকলিপি রাজশাহীর পুঠিয়ায় পৌর মেয়রের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা একটি মৃত্যু অতঃপর কিছু প্রশ্ন।। কলমেঃ অহনা নাসরিন সন্ধ্যা নামতেই কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে বসে মাদকের আসর আত্মনির্ভরশীলতাই সফলতা অর্জনের একমাত্র পথ – আব্দুর রহিম হাওলাদার (রাজু) রাজশাহীতে হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে অবৈধভাবে বালু তুলছেন প্রভাবশালীরা দৌলতখানে গাজাসহ এক মাদক সেবীকে আটক করেছে এসআই মোস্তফা ভোলার ভেদুরিয়ায় ব্যবসায়ীর ভোগ দখলিয় জমি যবর দখল করতে ভূমিদস্যুদের পায়তাড়া মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদ কুমিল্লা জেলার যুগ্ম আহ্বায়ক হলেন কামরুজ্জামান জনি ও আতিকুর রহমান কানাডায় বড়দিন উদযাপনে সতর্কতা নিজের বেতনের টাকায় দরিদ্রদের বাড়ি খাদ্য নিয়ে যাবেন ইউএনও নাহিদা ভোলার শিবপুরে মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষে ইব্রাহীম চেয়ারম্যান টি-টুয়েন্টি ক্রিকেট টুর্নামেন্টের উদ্ভোধন সকলের ভালোবাসায় এগিয়ে যাচ্ছে ভিক্টোরিয়া ই-কমার্স ফোরাম, দুই হাজার বেকারের কর্মসংস্থান। শোক সংবাদ। সিডনিনিউজ২৪ডটকম ধনী দেশগুলোর বর্তমান ভূমিকার সমালোচনা কক্সবাজার নাগরিক সমাজের। ভোলার পশ্চিম ইলিশায় সারকারি খাল ভরাট করে জমি দখল করে নিচ্ছে “ফাইভ ষ্টার” ব্রিক্স ত্রিশালে পূজা উপলক্ষে ৫০০ কেজি করে চাল বিতরণ।
আশ্চর্য রুমাল(৫ম পর্ব)/সিডনিনিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম

আশ্চর্য রুমাল(৫ম পর্ব)/সিডনিনিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম

আশ্চর্য রুমাল(৫ম পর্ব)

মুনিরা আক্তার

যদি কোনো নির্দিষ্ট সময়ের আকাঙ্ক্ষা থাকে, তাহলে তা নিকটে আসতে যেন বেশ দেরি হয়।তাই জেনির সকল প্রস্তুতি শেষ হলেও সময় যেন ফুরোতেই চাইছে না।যদিও প্রস্তুতি বলতে শুধুমাত্র মানসিক প্রস্তুতিই ছিল, তবুও তা কি চারটি খানি কথা? কতটা সাহসের প্রয়োজন হয় একটা মানুষকে নিজের মনের কথা বলতে? এসবই ভাবছিল আর অপেক্ষার প্রহর গুনছিল জেনি।অবশেষে সেই মুহূর্ত চলেও এলো। ডান্সিং স্কুলে ছোট খাটো একটা পার্টি অ্যারেঞ্জ করেছিল সেদিন।জেনি খুব সুন্দর করে সেজেগুজে সেখানে গেল,রিককেও অন্যদিনের তুলনায় একটু পরিপাটি লাগছিল।দুজনের চোখাচোখি হলে জেনি আগে রিকের দিকে গেল।
জে– কেমন আছো?
রি- এইতো যেমন দেখছো? তোমার কি অবস্থা?
জে- ভালো আছি হয়তো।
রি-হয়তো কেন?
জে-(মুচকি হেসে) এমনি।
তারপর কিছুক্ষণ দুজনেই চুপ। হটাৎ দুজনে একসাথে বলে উঠলো,” আমার তোমাকে কিছু বলার আছে”।নিজেদের এমন কাকতালীয় ব্যাপার দেখে দুজনেই হাসলো কিছুক্ষণ।রিক বললো, ঠিক আছে তুমি আগে বলো।জেনি বললো ,না তুমি বলো।জোরাজুরির একপর্যায়ে জেনিই রাজি হলো বলতে।
“আসলে কথাটা কিভাবে বলবো জানিনা।তোমার প্রতি সম্প্রতি আমার কিছু আবেগ কাজ করতে শুরু করেছে, দুর্বলতাও বলতে পারো।জানিনা কেন? আমার দৈনন্দিন জীবনের কোনোকিছুই আগের মত নেই।তোমার কাছে যতক্ষণ থাকি আমার মনে হয় আমি যেন স্বর্গে রয়েছি।কিন্তু তোমার বিচ্ছেদ আমাকে নরক অপেক্ষা বেশি যন্ত্রণা দেয়। নিজের অজান্তেই কখন যে তোমাকে ভালোবেসে ফেলেছি বুঝতে পারিনি।আমি আজীবন তোমার সাথেই থাকতে চাই। তুমি কি তোমার মনে একটু জায়গা দেবে আমাকে? ফিরিয়ে দেবে না তো?
জেনির রিকের হাত দুটো শক্ত করে ধরে রিকের চোখের দিকে তাকিয়ে আছে।রিক একদম নিস্তব্দ।মনে মনে ভাবছে, যে ভয়টা পাচ্ছিলাম সেটাই হলো।
কিছুক্ষন পর রিক বলতে শুরু করল:
“দেখ জেনি! আমি তোমার অনুভুতি বুঝতে পারছি এবং তাকে শ্রদ্ধাভরে দেখছি।কিন্তু আমার পক্ষে তোমার প্রস্তাব গ্রহণ করা সম্ভব না।
জে- কিন্তু কেন? তুমি কি আমাকে ভালোবাসো না?
রি- না। আমি অন্য কাউকে ভালোবাসি।আর আমি তো তোমাকে কখনও বলিনি আমি তোমাকে ভালোবাসি?
জে- কাকে ভালোবাসো তুমি?
রি- তোমার বান্ধবী মারিয়া কে।মারিয়াও আমাকে ভালোবাসে।
জেনির চোখ থেকে অশ্রু ঝরছে।রাগ আর কষ্ট মিলে
এ যেন অন্যরকম অনুভূতি।জেনির শরীর কাপছে।
” তাহলে মারিয়া আমাকে জানালো না কেন?”রিকের দিকে না তাকিয়েই প্রশ্ন করল জেনি।
“আমি ওকে বারন করেছিলাম কাউকে জানাতে, তাই হয়তো।”
হটাৎ জেনি রিককে জড়িয়ে ধরে বলতে লাগলো।প্লিজ এমন করো না।আমি তোমাকে ছাড়া বাঁচতে পারবোনা।
জেনির থেকে নিজেকে ছাড়িয়ে নিয়ে রিক বললো।আমি অপারগ,আমার সত্যিই কিছু করার নেই।আমাকে ক্ষমা করো।
রিক চলে গেল।জেনি দাড়িয়ে ভাবতে লাগলো কি হলো এটা? সে কি করবে এখন?মারিয়াকে দেখতে পেয়ে ছুটে গেল তার দিকে।মারিয়ার গালে সজোরে একটা থাপ্পড় বসিয়ে দিল।তারপর তাকে বললো,তুই সবকিছু কেন আমার কাছ থেকে গোপন রেখেছিস? রিক আর তোর ব্যাপারটা কেন বলিসনি? আজকে তোর জন্য আমার জীবন শেষ হওয়ার পথে।
মারিয়া অনুনয় বিনয় করে বলতে লাগল,”আমি তোকে বলতাম রিক বারন করায় বলিনি।তুই আমাকে ক্ষমা…..
থাক!(মারিয়াকে থামিয়ে দিয়ে জেনি বললো)
আমাকে দয়া দেখাতে আসবি না।আমি জানি রিক আমাকেই ভালোবাসে।কোনো একটা কারণে হয়তো বলতে পারছেনা। আমি কারণটা বের করেই ছাড়বো।
জেনি আর কিছু বললো না।দৌড়ে বেরিয়ে এলো ডান্স স্কুল থেকে।
মারিয়া খুব চিন্তিত হয়ে পড়ল।রিক মারিয়াকে অভয় দিল জেনি কিছুই করতে পারবেনা।রিকের কথায় মারিয়া কিছুটা স্বস্তি পেল।বেশ কিছুদিন সব ঠিকঠাকই চলছিল। মারিয়া রিক নিয়মিত ডান্স স্কুলে যেত কিন্তু জেনিকে ঐ ঘটনার পর থেকে তারা আর আসতে দেখেনি।
এদিকে জেনির জীবন চলছিল ছন্দহীন ভাবে। প্রথম প্রথম কয়েকদিন রিককে বোঝানোর চেষ্টা করেছে কিন্তু তাতে কোন লাভ হয়নি। অপরদিকে, জেনির বাবার শরীর দিন দিন খারাপ হতে লাগলো। জেনির সেদিকে নজর ছিল না বললেই চলে। উল্টো জোসেফ তার উদাসীনতা দেখে কিছু জানতে চাইলেই জেনি তার সাথে খুব খারাপ ব্যাবহার করতো।সময়ের সাথে সাথে মানুষ নিজেকে খানিকটা পরিবর্তন করতে চাইলেও অনেক ক্ষেত্রে তা হয়তো হয়ে ওঠেনা সমাজের কারনে। এক্ষেত্রেও তার ব্যতিক্রম হলো না।
(চলবে)


Leave a Reply

Your email address will not be published.




এটি হাসনা ফাউন্ডেশনের একটি অঙ্গ প্রতিষ্ঠান, এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা,ছবি,অডিও,ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা বেআইনি । copyright© All rights reserved © 2018 sidneynews24.com  
Desing & Developed BY ServerNeed.com