নোটিশ :
জরুরী ভিত্তিতে সারাদেশে বিভাগীয় ব্যুরো প্রধান, জেলা, উপজেলা, বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজ পর্যায়ে সাংবাদিক নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহী প্রার্থীগণকে সিভি, জাতীয় পরিচয়পত্রের স্কান কপি ও সদ্য তোলা পাসপোর্ট সাইজের ছবির সাথে নিজের লেখা একটি সংবাদ ই-মেইলে পাঠাতে হবে। ই-মেইল :sidneynews24@gmail.com
শিরোনাম :
বোরহানউদ্দিনে গৃহ প্রদান উদ্বোধন উপলক্ষ্যে ইউএনও”র সংবাদ সম্মেলন বোরহানউদ্দিনে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত রাজশাহীর পুঠিয়ার বানেশ্বর হাটে কোটি টাকার রাজস্ব আদায় হলেও  উন্নয়ননের রেশ নেই  বোরহানউদ্দিনে রাতে ককটেল বিস্ফোরণ “এলাকায় আতঙ্ক আওয়ামী লীগ দেশ ছেড়ে পালায় না: বিএনপি নেতারাই পালিয়ে যায়।রাজশাহীর জনসভায় প্রধানমন্ত্রী বোরহানউদ্দিনে বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হক চেয়ারম্যানকে পিটিয়ে জখম। বোরহানউদ্দিনে অবৈধ ট্রাক্টর কেড়ে নিলো আরমানের জীবন বোরহানউদ্দিনে জেলেদের মাঝে সুরক্ষা সামগ্রী বিতরণ বোরহানউদ্দিনে জমি দখল করতে সরকারি বরাদ্ধে নির্মিত বাজার ও মসজিদের টয়লেট ভেঙ্গে নিচ্ছে সাংবাদিকের কলমই পারে অপরাধীকে দাঁত ভাঙ্গা জবাব দিতে… প্রেসক্লাব সভাপতি অনু বোরহানউদ্দিনে শীত বস্ত্র বিতরণ করলেন ব্লাড ডোনার্স ক্লাব বোরহানউদ্দিনে সাংবাদিকের উপর প্রকাশ্য হামলা” ক্যামেরা ভাঙচুর বোরহানউদ্দিনে প্রকাশ্য বসতঘর দখল”তথ্য সংগ্রহ করতে গেলে ভিক্টিমসহ সাংবাদিকদের উপর হামলা প্রথম দিনেই টিকিট বিক্রির মেশিনে ত্রুটি, আটকে গেল টাকা বালিয়াকান্দিতে নারীকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগ কঁচি ইচ্ছের বাগান – সৈয়দ মুন্তাছির রিমন মঙ্গলগ্রহে ৪৬ ফুট উঁচুতে উড়ে রেকর্ড রিজার্ভ থেকে ডলার চায় এফবিসিসিআই টুইটারের সিইওর পদ ছাড়ছেন ইলন মাস্ক ব্যালন ডি’অরে মেসিই ফেভারিট, লেভার স্বীকারোক্তি
আশ্চর্য রুমাল(৫ম পর্ব)/সিডনিনিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম

আশ্চর্য রুমাল(৫ম পর্ব)/সিডনিনিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম

আশ্চর্য রুমাল(৫ম পর্ব)

মুনিরা আক্তার

যদি কোনো নির্দিষ্ট সময়ের আকাঙ্ক্ষা থাকে, তাহলে তা নিকটে আসতে যেন বেশ দেরি হয়।তাই জেনির সকল প্রস্তুতি শেষ হলেও সময় যেন ফুরোতেই চাইছে না।যদিও প্রস্তুতি বলতে শুধুমাত্র মানসিক প্রস্তুতিই ছিল, তবুও তা কি চারটি খানি কথা? কতটা সাহসের প্রয়োজন হয় একটা মানুষকে নিজের মনের কথা বলতে? এসবই ভাবছিল আর অপেক্ষার প্রহর গুনছিল জেনি।অবশেষে সেই মুহূর্ত চলেও এলো। ডান্সিং স্কুলে ছোট খাটো একটা পার্টি অ্যারেঞ্জ করেছিল সেদিন।জেনি খুব সুন্দর করে সেজেগুজে সেখানে গেল,রিককেও অন্যদিনের তুলনায় একটু পরিপাটি লাগছিল।দুজনের চোখাচোখি হলে জেনি আগে রিকের দিকে গেল।
জে– কেমন আছো?
রি- এইতো যেমন দেখছো? তোমার কি অবস্থা?
জে- ভালো আছি হয়তো।
রি-হয়তো কেন?
জে-(মুচকি হেসে) এমনি।
তারপর কিছুক্ষণ দুজনেই চুপ। হটাৎ দুজনে একসাথে বলে উঠলো,” আমার তোমাকে কিছু বলার আছে”।নিজেদের এমন কাকতালীয় ব্যাপার দেখে দুজনেই হাসলো কিছুক্ষণ।রিক বললো, ঠিক আছে তুমি আগে বলো।জেনি বললো ,না তুমি বলো।জোরাজুরির একপর্যায়ে জেনিই রাজি হলো বলতে।
“আসলে কথাটা কিভাবে বলবো জানিনা।তোমার প্রতি সম্প্রতি আমার কিছু আবেগ কাজ করতে শুরু করেছে, দুর্বলতাও বলতে পারো।জানিনা কেন? আমার দৈনন্দিন জীবনের কোনোকিছুই আগের মত নেই।তোমার কাছে যতক্ষণ থাকি আমার মনে হয় আমি যেন স্বর্গে রয়েছি।কিন্তু তোমার বিচ্ছেদ আমাকে নরক অপেক্ষা বেশি যন্ত্রণা দেয়। নিজের অজান্তেই কখন যে তোমাকে ভালোবেসে ফেলেছি বুঝতে পারিনি।আমি আজীবন তোমার সাথেই থাকতে চাই। তুমি কি তোমার মনে একটু জায়গা দেবে আমাকে? ফিরিয়ে দেবে না তো?
জেনির রিকের হাত দুটো শক্ত করে ধরে রিকের চোখের দিকে তাকিয়ে আছে।রিক একদম নিস্তব্দ।মনে মনে ভাবছে, যে ভয়টা পাচ্ছিলাম সেটাই হলো।
কিছুক্ষন পর রিক বলতে শুরু করল:
“দেখ জেনি! আমি তোমার অনুভুতি বুঝতে পারছি এবং তাকে শ্রদ্ধাভরে দেখছি।কিন্তু আমার পক্ষে তোমার প্রস্তাব গ্রহণ করা সম্ভব না।
জে- কিন্তু কেন? তুমি কি আমাকে ভালোবাসো না?
রি- না। আমি অন্য কাউকে ভালোবাসি।আর আমি তো তোমাকে কখনও বলিনি আমি তোমাকে ভালোবাসি?
জে- কাকে ভালোবাসো তুমি?
রি- তোমার বান্ধবী মারিয়া কে।মারিয়াও আমাকে ভালোবাসে।
জেনির চোখ থেকে অশ্রু ঝরছে।রাগ আর কষ্ট মিলে
এ যেন অন্যরকম অনুভূতি।জেনির শরীর কাপছে।
” তাহলে মারিয়া আমাকে জানালো না কেন?”রিকের দিকে না তাকিয়েই প্রশ্ন করল জেনি।
“আমি ওকে বারন করেছিলাম কাউকে জানাতে, তাই হয়তো।”
হটাৎ জেনি রিককে জড়িয়ে ধরে বলতে লাগলো।প্লিজ এমন করো না।আমি তোমাকে ছাড়া বাঁচতে পারবোনা।
জেনির থেকে নিজেকে ছাড়িয়ে নিয়ে রিক বললো।আমি অপারগ,আমার সত্যিই কিছু করার নেই।আমাকে ক্ষমা করো।
রিক চলে গেল।জেনি দাড়িয়ে ভাবতে লাগলো কি হলো এটা? সে কি করবে এখন?মারিয়াকে দেখতে পেয়ে ছুটে গেল তার দিকে।মারিয়ার গালে সজোরে একটা থাপ্পড় বসিয়ে দিল।তারপর তাকে বললো,তুই সবকিছু কেন আমার কাছ থেকে গোপন রেখেছিস? রিক আর তোর ব্যাপারটা কেন বলিসনি? আজকে তোর জন্য আমার জীবন শেষ হওয়ার পথে।
মারিয়া অনুনয় বিনয় করে বলতে লাগল,”আমি তোকে বলতাম রিক বারন করায় বলিনি।তুই আমাকে ক্ষমা…..
থাক!(মারিয়াকে থামিয়ে দিয়ে জেনি বললো)
আমাকে দয়া দেখাতে আসবি না।আমি জানি রিক আমাকেই ভালোবাসে।কোনো একটা কারণে হয়তো বলতে পারছেনা। আমি কারণটা বের করেই ছাড়বো।
জেনি আর কিছু বললো না।দৌড়ে বেরিয়ে এলো ডান্স স্কুল থেকে।
মারিয়া খুব চিন্তিত হয়ে পড়ল।রিক মারিয়াকে অভয় দিল জেনি কিছুই করতে পারবেনা।রিকের কথায় মারিয়া কিছুটা স্বস্তি পেল।বেশ কিছুদিন সব ঠিকঠাকই চলছিল। মারিয়া রিক নিয়মিত ডান্স স্কুলে যেত কিন্তু জেনিকে ঐ ঘটনার পর থেকে তারা আর আসতে দেখেনি।
এদিকে জেনির জীবন চলছিল ছন্দহীন ভাবে। প্রথম প্রথম কয়েকদিন রিককে বোঝানোর চেষ্টা করেছে কিন্তু তাতে কোন লাভ হয়নি। অপরদিকে, জেনির বাবার শরীর দিন দিন খারাপ হতে লাগলো। জেনির সেদিকে নজর ছিল না বললেই চলে। উল্টো জোসেফ তার উদাসীনতা দেখে কিছু জানতে চাইলেই জেনি তার সাথে খুব খারাপ ব্যাবহার করতো।সময়ের সাথে সাথে মানুষ নিজেকে খানিকটা পরিবর্তন করতে চাইলেও অনেক ক্ষেত্রে তা হয়তো হয়ে ওঠেনা সমাজের কারনে। এক্ষেত্রেও তার ব্যতিক্রম হলো না।
(চলবে)

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




এটি হাসনা ফাউন্ডেশনের একটি অঙ্গ প্রতিষ্ঠান, এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা,ছবি,অডিও,ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা বেআইনি । copyright© All rights reserved © 2018 sidneynews24.com  
Desing & Developed BY ServerNeed.com