নোটিশ :
জরুরী ভিত্তিতে সারাদেশে বিভাগীয় ব্যুরো প্রধান, জেলা, উপজেলা, বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজ পর্যায়ে সাংবাদিক নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহী প্রার্থীগণকে সিভি, জাতীয় পরিচয়পত্রের স্কান কপি ও সদ্য তোলা পাসপোর্ট সাইজের ছবির সাথে নিজের লেখা একটি সংবাদ ই-মেইলে পাঠাতে হবে। ই-মেইল :sidneynews24@gmail.com
শিরোনাম :
হাশেম রেজার বিরুদ্ধে কথিত বানোয়াট সংবাদ প্রকাশ: সাইবার ট্রাইব্যুনালে মামলা রাজশাহীতে শারদীয় দুর্গাপূজার উৎসব শুরু বোরহানউদ্দিনে শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে এমপি মুকুলের বস্ত্র বিতরণ বোরহানউদ্দিন কুঞ্জেরহাটে ব্লু ড্রিম ব্রান্ডের নতুন শাখার উদ্বোধন রাজশাহীর বাগমারার তাহেরপুর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৬তম জন্মদিন পালিত বোরহানউদ্দিনে মালয়েশিয়া প্রবাসী কাওসার মোল্লার প্রতারণা” হাতিয়ে নিচ্ছে কোটি টাকা বোরহানউদ্দিন পক্ষিয়া ইউনিয়নে জাতীয় শোক দিবস পালন বোরহানউদ্দিনে টিকটক ফাতেমার হামলায় ভিক্ষুকসহ আহত -২ বোরহানউদ্দিনে বিদেশ প্রবাসীর স্ত্রীর উপর হামলার অভিযােগ বোরহানউদ্দিনে কোভিড-১৯ প্রতিরোধে টাউনহল মিটিং বোরহানউদ্দিনে জ্বীনের বাদশা সেজে প্রতারণা” হাতিয়ে নিচ্ছে কোটি টাকা তেলের প্রভাব জলে” হতাশ বোরহানউদ্দিনে জেলেরা পুঠিয়া সাংবাদিক সমাজের কমিটি গঠন লিটন সভাপতি ও রেজা সাধারণ সম্পাদক এসডিজি ইয়ুথ সামিট ২০২২ এর রেজিস্ট্রেশন শুরু পুঠিয়া-বানেশ্বর আঞ্চলিক সড়কে নিম্রমানের নির্মাণ সামগ্রী দিয়ে কাজ করার অভিযোগ বিএসপিআই ‘র’ প্রতিষ্ঠাতা ও প্রিন্সিপাল – ইঞ্জিনিয়ার দিবাকর দে এর মা‌য়ের পরলোক গমন, শোক জানিয়েছেন (বিএসপিআই) পরিবার।  পুঠিয়ার গ্রামীণ হাসপাতালে শিশু ইউনিটের উদ্বোধন পুঠিয়ায় যুবলীগ নেতার অশ্লীল ভিডিও ভাইরাল বিজ্ঞাপনের ঘড়িতে দশটা দশ বাজিয়ে রাখার রহস্য  বাংলাদেশ ব্যুরো প্রধানের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন সিডনি নিউজ সম্পাদক
পল্লীবন্ধু এরশাদের কবিতাপ্রেম ও কাব্যচর্চা

পল্লীবন্ধু এরশাদের কবিতাপ্রেম ও কাব্যচর্চা

পল্লীবন্ধু এরশাদের কবিতাপ্রেম ও কাব্যচর্চা

টানা ৯ বছর রাষ্ট্রপ্রধান ছিলেন হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। আর এই গুরুদায়িত্বের মধ্যেও অবসরে কাব্যচর্চা করে গেছেন তিনি।

তার কবিতা ভাবনা ও কাব্যজীবনের প্রতি তীব্র আগ্রহ ও ভালোবাসার বিষয়টি বিবেচনা করলে অনেকের মনে হতে পারে রাজনীতিবিদ কিংবা সেনাপ্রধান নয়, তার একান্ত তীব্র ইচ্ছে ছিল কবি হওয়ার।

আর সেই ইচ্ছাকে দমিয়ে রাখতে পারেননি। আমৃত্যু কবিতাকে ভালোবেসে গেছেন, লিখেছেন অনেক কবিতাও। তাই জীবনের শেষ পর্যন্ত সেসব কাব্য সাধনার জন্য হয়েছেন আলোচিত ও প্রশংসনীয়।

এরশাদের জীবনবৃত্তান্ত হতে জানা যায়, স্কুলে পড়ার সময়েই তার প্রথম কবিতা রচনার প্রয়াস। বাংলাদেশের প্রকৃতি আর মানুষ কবির সব মুগ্ধতার মধ্যে একটি একান্ত নিস্বর্গের মতো জন্ম নিয়েছিল সেই কৈশোর কালেই।

কবি এরশাদের কবিতায় দেশের রূপ, সৌন্দর্য ও প্রকৃতির পাশাপাশি প্রেমের তীব্র আহ্বান লক্ষণীয়। তার একটি জনপ্রিয় কবিতা ‘প্রেমগীতি’। যেখানে কবি এরশাদ লিখেছেন- ‘ক্লান্ত বিকালে অবশ পায়ে/ ঘুরেছি যখন এই পথে। শান্ত নদীর নীরব কিনারে/ দেখা হয়েছিল তোমার সাথে।’

কবিতাটিতে পল্লীবন্ধু প্রেমের তীব্র আহ্বানের কথা ব্যক্ত করেছেন এভাবে- ‘তোমার নয়নে নয়ন রাখিয়া/ বলেছিনু এসো প্রিয়া/ তাপিত হৃদয়ে ঝরনা ঝরাও/ প্রেমের অঞ্জলি দিয়া।’ এ রকম বহু কবিতায় প্রতিফলিত হয়েছে কবি এরশাদের বাংলার রূপ, লাবণ্য, প্রকৃতিপ্রেম, মানবপ্রেমের মতো বিষয়গুলো।

হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ বিখ্যাত সব কবির মতোই জীবনের সঙ্গে কবিতাকে মিশিয়েছেন, নিবিড়ভাবে আলিঙ্গন করেছেন।

হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ তার প্রিয়তমা স্ত্রীর প্রতি অনুরাগ প্রকাশ করেছেন কবিতার মাধ্যমে।

জাতীয় পার্টির এক সভা ছেড়ে চলে যেতে থাকা স্ত্রী রওশনের হাত ধরে থামিয়ে এরশাদ তাকে শুনিয়েছিলেন নিজেরই লেখা একটি কবিতার কয়েকটি লাইন- ‘নিঃসঙ্গ ধূসর বিশাল এক অন্ধকারে… আমি জেগে আছি… কোথায় উষার জ্যোতি … কতদূর আলোর মৌমাছি?’

এর পর স্ত্রীকে বলেন, রওশন তুমি আমার আলোর মৌমাছি।

একজন কবিই পারেন স্ত্রীর কাছে অব্যক্ত অনুভূতি এভাবে শব্দের মায়াজালে ফুটিয়ে তুলতে।

কবিতার প্রতি এমন গভীর প্রেম বিষয়ে এরশাদ বলেছিলেন- ‘আমি বাংলার ছাত্র ছিলাম। রবীন্দ্রনাথ পড়েছি, নজরুল পড়েছি, মাইকেল মধুসূদন, সুকান্ত পড়েছি। তাদের লেখায় প্রভাবিত হয়েছি। তবে আমি যা ভেবেছি তাই বইয়ে লিখেছি। ’

দেশ পরিচালনার পাশাপাশি সাবেক এই রাষ্ট্রপতি বেশ কিছু কবিতার বই উপহার দিয়েছেন বাংলা সাহিত্যপ্রেমীদের।

সেসব বইয়ে লেখা কবিতা বিভিন্ন বিষয় সাবলীল ভাষায় অলংকৃত হয়েছে। সেসব কবিতা পড়লে যে কেউ বুঝে নেবেন, সাহিত্যে কতটা অনুরাগী ছিলেন এই সাবেক রাষ্ট্রপতি।

বিশেষ করে তার লেখা ‘হে সুধীবৃন্দ’ কবিতাটি পাঠকের উদ্দেশ্যে না দেয়া হলে অপরাধই হয়ে যাবে-

সুধী, এমন সভায় প্রথম এলে/ আমার নিমন্ত্রণে;

হৃদয়টা তাই নাচলো সুখে/ এই মিলনের দিনে।

সবার প্রতি শ্রদ্ধা ছিল গহীন হৃদয় তলে,

উজাড় করি দিলাম আজি/ খুশির অশ্রজলে।

কাব্য আমার আপন জগৎ/ মনের মহারানী,

তার লাগিয়া বেঁধেছিনু/ ছোট্ট গৃহখানি।

সেই গৃহেতে বসত করে/ আমার ভালোবাসা

প্রেয়সীকে চিনিয়ে দিতে/ এই সভাতে আসা।

প্রিয়া আমার এমন প্রিয়া/ থাকে সংগোপনে

আপন ইচ্ছায় উঁকি মারে/ মনের বাতায়নে।

সেখান থেকে হাত বাড়িয়ে/ আনি আপন ঘরে,

আলিঙ্গনে ধরা পড়ে/ আমার বাহুডোরে।

তারে নিয়েই জীবন আমার/ এই দেহের সে প্রাণ

সদাই যেন গাইতে পারি/ জীবনের জয়গান।

প্রতিটি বইমেলায় ছিল হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের পদচারণা। অমর একুশে গ্রন্থমেলা-১৮ তেও নতুন চারটি বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করেছেন তিনি।

বইগুলো হলো- হে আমার দেশ, ঈদের কবিতা, বৈশাখের কবিতা ও প্রেমের কবিতা।

এ চারটি বই ছাড়াও এখন অবধি আরও ২৩টি বেশি বই বইমেলায় প্রকাশ পেয়েছে তার। এর মধ্যে মাত্র ৪টি গদ্যগ্রন্থ, বাকি সবই কবিতার বই।

এসব কবিতার বইয়ের মধ্যে রয়েছে – ‘একুশের কবিতা’, ‘যে কবিতা সুর পেল’, ‘জীবন যখন যেমন’ ও ‘এক আকাশে সাত তারা’ ইত্যাদি।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published.




এটি হাসনা ফাউন্ডেশনের একটি অঙ্গ প্রতিষ্ঠান, এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা,ছবি,অডিও,ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা বেআইনি । copyright© All rights reserved © 2018 sidneynews24.com  
Desing & Developed BY ServerNeed.com