নোটিশ :
জরুরী ভিত্তিতে সারাদেশে বিভাগীয় ব্যুরো প্রধান, জেলা, উপজেলা, বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজ পর্যায়ে সাংবাদিক নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহী প্রার্থীগণকে সিভি, জাতীয় পরিচয়পত্রের স্কান কপি ও সদ্য তোলা পাসপোর্ট সাইজের ছবির সাথে নিজের লেখা একটি সংবাদ ই-মেইলে পাঠাতে হবে। ই-মেইল :sidneynews24@gmail.com
শিরোনাম :
সৌদি আরব, ওমান সহযোগিতা আরও বাড়াতে সম্মত হয়েছে বাঙালি রান্না নিয়ে এগিয়ে চলেছেন কিশোয়ার নতুন অর্থবছরের শুরুতে অস্ট্রেলিয়ার অভিবাসন আইনে এসেছে বেশ কয়েকটি পরিবর্তন কবি আদিত্য নজরুলের কবিতা দুঃখ পেলে পাথরও কাঁদে – কবি আদিত্য নজরুলের কাব্যগ্রন্থ। রেল শুধু বাড়ি পৌঁছায় না; খুঁজে দেয় জীবনসঙ্গী মায়ের পোট্রের্ট – অহনা নাসরিন খেলা – অহনা নাসরিন|| সিডনিনিউজ রাজকন্যা লতিফার অবিলম্বে মুক্তি চায় জাতিসংঘ জাতীয় গণমাধ্যম সপ্তাহকে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির দাবীতে ময়মনসিংহে স্মারকলিপি রাজশাহীর পুঠিয়ায় পৌর মেয়রের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা একটি মৃত্যু অতঃপর কিছু প্রশ্ন।। কলমেঃ অহনা নাসরিন সন্ধ্যা নামতেই কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে বসে মাদকের আসর আত্মনির্ভরশীলতাই সফলতা অর্জনের একমাত্র পথ – আব্দুর রহিম হাওলাদার (রাজু) রাজশাহীতে হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে অবৈধভাবে বালু তুলছেন প্রভাবশালীরা দৌলতখানে গাজাসহ এক মাদক সেবীকে আটক করেছে এসআই মোস্তফা ভোলার ভেদুরিয়ায় ব্যবসায়ীর ভোগ দখলিয় জমি যবর দখল করতে ভূমিদস্যুদের পায়তাড়া মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদ কুমিল্লা জেলার যুগ্ম আহ্বায়ক হলেন কামরুজ্জামান জনি ও আতিকুর রহমান কানাডায় বড়দিন উদযাপনে সতর্কতা নিজের বেতনের টাকায় দরিদ্রদের বাড়ি খাদ্য নিয়ে যাবেন ইউএনও নাহিদা
কবর থেকে স্বজনদের লাশ তুলে আলাপচারিতা/ সিডনিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

কবর থেকে স্বজনদের লাশ তুলে আলাপচারিতা/ সিডনিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

আহমেদ শাহরিয়ার – ইন্দোনেশিয়াঃ- প্রতি বছরের আগস্টে মৃত প্রিয় স্বজনদের দেহ কবর থেকে তুলে কথা বলেন ইন্দোনেশিয়ার তোরজা সম্প্রদায়ের লোকেরা।

এমনকি দেহ পরিষ্কার করে নতুন পোশাক পরিধান করে আলাপতারিতার সময় চলে ধুমপানও। এ সময় লাশের মুখে সিগারেট জ্বালিয়ে দেয়া হয়। চলে একসাথে খাওয়া দাওয়া। একজন জীবিত মানুষের মত লাশের সাথে আচরণ করা হয়। আর এটাই এই সম্প্রদায়ের রীতিনীতি।

প্রতি বছরের আগস্টে মৃত প্রিয় স্বজনদের দেহ কবর থেকে তুলে কথা বলেন ইন্দোনেশিয়ার তোরজা সম্প্রদায়ের লোকেরা। এমনকি দেহ পরিষ্কার করে নতুন পোশাক পরিধান করে আলাপতারিতার সময় চলে ধুমপানও। এ সময় লাশের মুখে সিগারেট জ্বালিয়ে দেয়া হয়। চলে একসাথে খাওয়া দাওয়া। একজন জীবিত মানুষের মত লাশের সাথে আচরণ করা হয়। আর এটাই এই সম্প্রদায়ের রীতিনীতি।

ইন্দোনেশিয়ার এই তোরজা সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় উৎসব এটি। তারা মনে করেন এই উদযাপন মৃত্যু ও জীবনের মধ্যে সংযোগ তৈরি করে। মৃতরা তাদের মধ্যেই বাস করে। তাদেরকে দেখে। এমনকি তাদের শুভ কামনা করে।

এই সম্প্রদায়ের লোকেরা মনে করেন, তারা মারা যাননি বরং তারা অসুস্থ। তাদের মৃত্যুকে সম্মান জানিয়ে এটা করা হয়।

এই উৎসব দেখতে পর্যটকদের যেতে কোন বাধা নেই। বরং এই সম্প্রদায় উৎসবের অংশ হতে উৎসাহ দিয়ে থাকে।

মৃতের পর পরিবারের সদস্যদের দেহ মমি করার জন্য মাস, কখনও বছর পর্যন্ত নিজেদের ঘরের মধ্যে সংরক্ষণ করা হয়। আবার কখনও মৃতদের জন্য তৈরি করা নির্দিষ্ট ঘরে লাশ রাখা হয়। এরপর মমি তৈরি হলে কবর দেয়ার আনুষ্ঠানিকতা ও শোকসভার আয়োজন করা হয়।

এই উৎসব শেষ হওয়ার পর আবার পোশাক খুলে বিভিন্ন উপহার সমেত লাশ কফিনে রেখে দেয়া হয়।

ইন্দোনেশিয়ার এই তোরজা সম্প্রদায় প্রোটেস্ট্যান্ট খ্রিষ্টান ধর্মের অনুসারী।


Leave a Reply

Your email address will not be published.




এটি হাসনা ফাউন্ডেশনের একটি অঙ্গ প্রতিষ্ঠান, এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা,ছবি,অডিও,ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা বেআইনি । copyright© All rights reserved © 2018 sidneynews24.com  
Desing & Developed BY ServerNeed.com