নোটিশ :
জরুরী ভিত্তিতে সারাদেশে বিভাগীয় ব্যুরো প্রধান, জেলা, উপজেলা, বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজ পর্যায়ে সাংবাদিক নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহী প্রার্থীগণকে সিভি, জাতীয় পরিচয়পত্রের স্কান কপি ও সদ্য তোলা পাসপোর্ট সাইজের ছবির সাথে নিজের লেখা একটি সংবাদ ই-মেইলে পাঠাতে হবে। ই-মেইল :sidneynews24@gmail.com
শিরোনাম :
সাবেক এমপি নাদি মোস্তফা গ্রেপ্তার পুঠিয়ায় কমিউনিটি পুলিশিং ডে পালিত বোরহানউদ্দিন মেঘনায় মা ইলিশ রক্ষায় নৌ পুলিশের অভিযানে আটক – ১৮ রাজশাহীতে চাঁদাবাজির মামলায় চেয়ারম্যানের ছেলে আটক বোরহানউদ্দিনে ট্রাক শ্রমিকের গালাকাটা লাশ উদ্ধার বুবলীকে নিয়ে বান্দরবানে সাইমন রাজশাহীর পুঠিয়ার শ্রীরামপুরের বিল থেকে অজ্ঞাত যুবকের লাশ উদ্ধার বোরহানউদ্দিনে গলায় ফাঁশ দিয়ে গৃহবধূর আত্মহত্যা মানিকা মডেল একাডেমি’তে জরুরী নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ কুবি’র সিলগালা হলগুলো খুলছে কাল হাশেম রেজার বিরুদ্ধে কথিত বানোয়াট সংবাদ প্রকাশ: সাইবার ট্রাইব্যুনালে মামলা রাজশাহীতে শারদীয় দুর্গাপূজার উৎসব শুরু বোরহানউদ্দিনে শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে এমপি মুকুলের বস্ত্র বিতরণ বোরহানউদ্দিন কুঞ্জেরহাটে ব্লু ড্রিম ব্রান্ডের নতুন শাখার উদ্বোধন রাজশাহীর বাগমারার তাহেরপুর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৬তম জন্মদিন পালিত বোরহানউদ্দিনে মালয়েশিয়া প্রবাসী কাওসার মোল্লার প্রতারণা” হাতিয়ে নিচ্ছে কোটি টাকা পুঠিয়া সাংবাদিক সমাজের কমিটি গঠন লিটন সভাপতি ও রেজা সাধারণ সম্পাদক এসডিজি ইয়ুথ সামিট ২০২২ এর রেজিস্ট্রেশন শুরু পুঠিয়া-বানেশ্বর আঞ্চলিক সড়কে নিম্রমানের নির্মাণ সামগ্রী দিয়ে কাজ করার অভিযোগ বিএসপিআই ‘র’ প্রতিষ্ঠাতা ও প্রিন্সিপাল – ইঞ্জিনিয়ার দিবাকর দে এর মা‌য়ের পরলোক গমন, শোক জানিয়েছেন (বিএসপিআই) পরিবার। 
ধনী দেশগুলোর বর্তমান ভূমিকার সমালোচনা কক্সবাজার নাগরিক সমাজের।

ধনী দেশগুলোর বর্তমান ভূমিকার সমালোচনা কক্সবাজার নাগরিক সমাজের।

জসিম রানা, ভোলা থেকে: রোহিঙ্গা সংকট ব্যবস্থাপনায় যৌথ নেতৃত্বাধীন একক কর্তৃপক্ষ এবং স্থানীয়দের অংশগ্রহণ থাকতে হবে।।

ধনী দেশগুলোর বর্তমান ভূমিকার সমালোচনা কক্সবাজার নাগরিক সমাজের: ২২ অক্টোবর দাতা সম্মেলনের প্রাক্কালে রোহিঙ্গা প্রত্যাবর্তনের প্রচেষ্টা জোরদার করার আহবান জানান।
কক্সবাজার ও ঢাকা, ২০ অক্টোবর ২০২০। রোহিঙ্গা সংকট মোকাবেলায় কর্মরত ৫০ টিরও বেশি সিএসও এনজিওর নেটওয়ার্ক কক্সবাজার সিএসও এনজিও ফোরাম (সিসিএনএফ) রোহিঙ্গা সংকট মোকাবেলায় তহবিল ব্যবস্থাপনায় স্থানীয় সরকার, স্থানীয় সিএসও, রোহিঙ্গা প্রতিনিধি, আরআরআরসি, জেলা প্রশাসক এবং আইএসসিজি’র অংশগ্রহণ সমৃদ্ধ একটি একক কর্তৃপক্ষের দাবি পুনর্ব্যাক্ত করেছে। আগামী ২২ অক্টোবর যুক্তরাজ্য, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, জাতিসংঘ এবং জাপানের উদ্যোগে অনুষ্ঠিতব্য দাতা সম্মেলনের প্রাক্কালে আয়োজিত এই ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে সিসিএনএফ নেতৃবৃন্দ দাতা ও উন্নত দেশগুলির বর্তমান ভূমিকার সমালোচনা করে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের অনতিবিলম্বে মায়ানমারে ফিরিয়ে নেওয়ার ধনী দেশ ও জাতিসংঘের উদ্যোগ ও প্রচেষ্টাকে দ্বিগুণ জোরদার করার আহবান জানান।
সংবাদ সম্মেলনটি সঞ্চালনা করেন সিসিএনএফ’র কো চেয়ার এবং কোস্ট ট্রাস্টের নির্বাহী পরিচালক রেজাউল করিম চৌধুরী। এতে বক্তৃতা করেন-টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান রাশেদ মোহাম্মদ আলী, সিসিএনএফ’র কো চেয়ার, পালস’র নির্বাহী পরিচালক এবং কক্সবাজার চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ সভাপতি আবু মোর্শেদ চৌধুরী এবং মুক্তি কক্সবাজারের প্রধান নির্বাহী বিমল দে সরকার, আইডিএফ নির্বাহী পরিচালক জহিরুল আলম (চট্টগ্রাম), হেল্প কক্সবাজারের নির্বাহী পরিচালক আবুল কাশেম (উখিয়া) অগ্রযাত্রা’র সভাপতি নীলিমা আক্তার চৌধুরী (কক্সবাজার) এবং সিসিএনএফ সদস্য সচিব জাহাঙ্গীর আলম।
রাশেদ মোহম্মদ আলী বলেন, ‘স্থানীয় জনগোষ্ঠীর প্রতি সংশ্লিষ্টদের মনোযোগ রয়েছে, কিন্তু নাফ নদীতে মাছ ধরে জীবিকা নির্ভাহ করা জেলে সম্প্রদায় এখনো সেখানে মাছ ধরতে না পেরে মানবেতর জীবন কাটাচ্ছে।’ তিনি স্থানীয়দের জন্য আসা সহায়তার পূর্ণ স্বচ্ছতার আহ্বান জানান।
আবু মোর্শেদ চৌধুরী বলেন, দীর্ঘদিন থেকে সিসিএনএফ স্থানীয় সিএসও / এনজিওগুলির বিকাশের জন্য পুল ফান্ড এবং গ্র্যান্ড বার্গেইনের আলোকে প্রত্যক্ষ অর্থায়নের অনুরোধ করে আসছে, জাতিসংঘ এজেন্সিগুলির নেতৃত্বে প্রণীত স্থানীয়করণ টাস্ক রিপোর্টেও উল্লেখ করা হয়েছিলো, কিন্তু এর বাস্তবায়ন বিলম্বিত হচ্ছে। ২০১৮ থেকে সিসিএনএফ যৌথ সাড়াদান পরিকল্পনাকে (জেআরপি) নিরাপত্তা ও সংঘাত প্রতিরোধে গুরুত্ব দেওযার পরামর্শ দিয়ে এসেছে।’ রোহিঙ্গা শিবিরগুলিতে সাম্প্রতিক সহিংসতার প্রেক্ষাপটে তিনি শান্তি প্রতিষ্ঠায় স্থানীয় সরকার এবং স্থানীয় সিএসও-র অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার অনুরোধ করেন।
জহিরুল আলম বলেন, ‘রোহিঙ্গা ইস্যুর মতো, জলবায়ু পরিবর্তনের জন্যও বাংলাদেশ দায়ি না হয়েও এই সমষ্যাগুলোতে দেশটিকে ভুগতে হচ্ছে।’ তিনি দাতা দেশসমূহকে রোহিঙ্গা মানবিকসসংকটের পাশাপাশি বাংলাদেশের অন্যান্য সমস্যা সমাধানেও এগিয়ে আসার আহŸান জানান। একমাত্র টেকসই সমাধান হিসেবে রোহিঙ্গাদের মায়ানমারে ফিরিয়ে নেওয়ার জন্য ধনী ও দাতা দেশগুলোর প্রচেষ্টা দ্বিগুণ করতে হবে বলে তিনি অভিমত প্রকাশ করেন।
বিমল দে সরকার বলেন, রোহিঙ্গাদের জন্য এখন পর্যন্ত ২.৬৩ বিলিয়ন ডলার সহায়তা এসেছে, এই পরিমাণটিকে হিসাব করলে প্রতি মাসে প্রতিটি রোহিঙ্গা পরিবারের জন্য বরাদ্দ এসেছে প্রায় ৪২৩ ডলার, সমীক্ষায় দেখা গেছে যে, মোট সহায়তার মাত্র এক তৃতীয়াংশ প্রত্যক্ষ সেবা হিসেবে রোহিঙ্গাদের কাছে পৌঁছেছে।’ তিনি জাতিসংঘ এবং আইএনজিও ভাল কাজগুলোর প্রশংসা করেন, কিন্তু অর্থ সহায়তার স্বচ্ছতার অভাবে জনমনে বিভ্রান্তি রয়েছে বলে মন্তব্য করেন।
জাহাঙ্গীর আলম কোভিড ১৯ মোকাবেলায় জাতিসংঘ, বিশেষ করে ইউএনএইচসিআর এবং আইওএম-এর ভূমিকার প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, ‘প্রাপ্ত অর্থ সহায়তার কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করতে সরকার এবং জাতিসংঘের যৌথ নেতৃত্বাধীন একটি একক কর্তৃপক্ষ থাকতে হবে।’
নীলিমা আক্তার চৌধুরী আইএসসিজিতে (ইন্টার সেকটোরাল কোঅর্ডিনেশন (গ্রুপ) স্থানীয় সরকার এবং সিএসও / এনজিওগুলির অংশগ্রণের পূর্ণ সুযোগ তৈরির অনুরোধ করেন।
জনাব আবুল কাশেম বলেন যে, স্থানীয় অংশীজন এবং এবং রোহিঙ্গা প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণে সিদ্ধান্তগ্রহণ প্রক্রিয়ায় ‘নিচ থেকে উপরে যাওয়ার বা ‘বটম-আপ’ পদ্ধতি গ্রহণ করতে হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published.




এটি হাসনা ফাউন্ডেশনের একটি অঙ্গ প্রতিষ্ঠান, এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা,ছবি,অডিও,ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা বেআইনি । copyright© All rights reserved © 2018 sidneynews24.com  
Desing & Developed BY ServerNeed.com